বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট নিজে কি ভাবে আবেদন করবেন।

Spread the love

খুব সহজে ৩ টা ধাপ অনুসরণ করুন।
১. প্রস্তুতি, ২. অপারেশন, ৩. ফাইনাল
( ১. প্রস্তুতি )
E-পাসপোর্ট আবেদন করার জন্যে এই উপকরণ গুলো লাগবে
A. ইমেইল এড্রেস ,
B. মোবাইল নাম্বার ,
C. পুরাতন পাসপোর্ট ( যদি থাকে )
D. জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট ,
E. NID ( বাধ্যতা মূলক ),
F. পিতা/মাতা/হাসব্যান্ড /ওয়াইফ এর নাম , জন্ম তারিখ , এড্রেস এবং মোবাইল নাম্বার ( স্বামী / স্ত্রী এর জন্যে প্রযোজ্য ),
G. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ( প্রমান করার জন্যে যে কোনো ইউটিলিটি বিল লাগবে, বর্তমান ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন যাবে যদি আপনি নতুন আবেদনকারী হন , আগের পাসপোর্ট থাকলে নতুন ভাবে পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে না কিন্তু আপনি যে বর্তমানে সেই স্থানে থাকেন তার প্রমান স্বরূপ ইউটিলিটি বিল শো করবেন ).
H. আপনার অবত্তমানে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্যে যে কারো – নাম , মোবাইল নাম্বার , এড্রেস , লাগবে।
I. কাবিন নামা / বৈবাহিক সনদ /মৃত্যু সনদ /ডিভোর্স সার্টিফিকেট ( যদি প্রযোজ্য হয় ). J. বিজনিজ / আপনার পেশা – রিলেটেড ডকুমেন্টস , ইত্যাদি। ………..( সিচুয়েশন ডিমান্ড )
( ২. অপারেশন )
A. আপনি এই ওয়েবসাইট এ ঢুকবেন , www.epassport.gov.bd/
B. Apply Online এ ক্লিক করবেন , এ ভাবে পয্যায়ক্রমে পরবত্তী ধাপ গুলো অনুসরণ করলে আপনার রেজিস্ট্রেশন সম্পর্ণ হবে।
C. আপনার ইমেইল এ ভেরিফিকেশন লিংক যাবে , আপনি ইমেইল এ ঢুকে লিংক এ ক্লিক করলেই আপনার ইমেইল ভেরিফিকেশন ফর রেজিস্ট্রেশন সম্পুর্ন্ন হবে।
D. আপনি। www.epassport.gov.bd/ ওয়েবসাইট এ লগইন করবেন এবং পয্যায়ক্রমে পরবত্তী ধাপ গুলো অনুসরণ করলে আপনার ই পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্ম পূরণ শেষ হবে ,
E. উপরের ডান দিকে সবুজ রঙে লিখা থাকবে schedule এপয়েন্টমেন্ট , সেখানে ক্লিক করে পয্যায়ক্রমে পরবত্তী ধাপ গুলো অনুসরণ করে এপয়েন্টমেন্ট ফাইনাল করবেন আপনার এলাকার পাসপোর্ট অফিস এ।
F, এবার আপনি পূরণ কৃত আবেদন ফর্ম এবং এপয়েন্টমেন্ট ফর্ম ২ টাই PDF ফাইল আকারে দেখতে পাবেন এবং ২টাই প্রিন্ট করে নিবেন ,
G. আপনার নিকটস্থ (পাসপোর্ট অফিস মনোনীত ) ব্যাংক এ ফী জমা দিবেন এবং রিসিপ্ট আপনার সংগ্রহে রাখবেন।
H. আবেদন ফর্ম , এপয়েন্টমেন্ট , ব্যাংক স্লিপ সহ সব সাপোর্টিং ডকুমেন্টস গুলোর ১টা অরিজিনাল ফাইল করবেন এবং ফুল একটা ফটোকপি ফাইল করবেন। তাহলে আপনার ২টা ফাইল হলো। অরিজিনাল এবং ফটোকপি।
( ফাইনাল )
উপরে উল্লেখিত অরিজিনাল এবং ফটোকপি অথবা ২টা ফাইল নিয়ে আপনার এপয়েন্টমেন্ট এর দিন পাসপোর্ট অফিসে কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে যাবেন , এবং যাবার আগে অবশ্যয় সব ডকুমেন্টস আবার চেকআপঃ করবেন , আবেদন ফর্ম এ কোনো ভুল আছে কিনা দেখে নিবেন , পাসপোর্ট অফিসে আপনার ফটো তোলা হবে , ফিঙ্গার প্রিন্ট নেবে , আই প্রিন্ট নেবে। সব কিছু সম্পন্ন হবার পর আপনাকে এপ্লিকেশন একসেপ্টেড মর্মে রিসিপ্ট দেয়া হবে এবং আপনার ই-পাসপোর্ট আবেদন সম্পন্ন হলো
আপনার পাসপোর্ট ডেলিভারি দেবার জন্যে প্রস্তুত হলে আপনার মোবাইল এ sms আসবে এবং আপনি চাইলে অনলাইন এ ট্র্যাক করতে পারবেন।
( ধন্যবাদ )
কষ্ট করে পড়ার জন্যে , আপনার জানার পরিধি বৃদ্ধি করুন ,
পর নির্ভরশীলতা কমান , দালাল নয় বরং কষ্ট করে নিজেই নিজের কাজ সম্পূর্ণ করুন।

     More News Of This Category

ফেসবুক