শুভ জন্মদিন ”রূপসা” রূপসার বুকে খুলনার জন্ম ।

Spread the love

ইবাংলা প্রতিবেদক রূপসাঃ
আজ থেকে বহু বছর আগে এ তিলােত্তমা মহানগরী খুলনার জন্ম হয়েছিল বর্তমান রূপসা উপজেলার কিসমত খুলনার বুকে নয়াবাদ থানায় । তারপরও আমি ওনাতে চাই তাদের , যাদের জানা নেই এ জন্মের ইতিহাস । শােন হে নগরবাসী স্বর্গের চেয়ে সুন্দর , জীবনের চেয়ে প্রিয় , মায়ের মত পবিত্র আমার স্থান রুপসী রূপসার বুকেই একদিন জন্ম হয়েছিল শহরের । আমার অবস্থা যাই হােক তুমি বড় হও – তেমনিভাবে জেলা হতে বিভাগে রুপ দিয়েছো- আরাে বড় হও একদিন বাংলার প্রদেশ হও , শত শত বছর ধরে আমি চেয়ে থাকবাে আর তোমার জন্মের গুণকীর্তন করতে থাকবাে ।
বঙ্গোপসাগর হতে শিবসা নদী প্রবল জোয়ারের শ্রোতে বর্তমান খারাবাদ বাইনতলার মধ্যে দিয়ে পশুর নাম ধারণ করে কাজীবাছা নদী দিয়ে মৈয়ুর নদীতে পড়ে খুলনা রেলস্টেশনের পাশে ভৈরবে মিলিত হয় । এ ভৈরবের একটি অংশ যশাের নড়াইলের দিকে প্রবাহিত আর একটি শাখা জেলখানা ঘাটের অপর পাড়ে সেনের বাজারের পাশ দিয়ে আঠারোবাকী নদী নাম ধাৱণ করে আলাইপুর দিয়ে বাগেরহাট চলে গেছে । উল্লেখ্য তখন রামনগর ( ডিবির বাংলাে ) হতে রুপসা ব্রিজের নিকট পর্যন্ত কোন নদী ছিল না । খুলনা শহর ও বর্তমান রূপসা নদীর পূর্বপাড়া , রামনগর , রহিমনগর চর রুপসা পর্যন্ত ছিল সুন্দরবনের অংশ ।
রুপসাা উপজেলার ভৈরব নদীর তটে সেনের বাজার অতি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল । লবণের ব্যবসা , চিনির ব্যবসা , নীলের ব্যবসা এবং সুন্দরবনের কাঠের জন্য বিদেশী বিশেষ করে ওলন্দাজ , ডাচ , ফরাসি , ফিরিঙ্গী , বর্গীরা এ স্থানকে খুব পছন্দ করত । ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার রাজা লক্ষণ সেন নিজে এনে এ সেনের বাজার স্থাপন করেন । এখানে ব্যবসা বাণিজ্যের সকল নৌকা ভীড়তাে ।
অনেকের মতে , সেনের বাজারের আঠারোবাকী নদীতে বহর দিয়ে বাণিজ্যের নৌকা বাধা থাকতো । কোন মাঝি রাতে নৌকা খুলতে গেলে বনের মধ্য হতে বনদেবতা বারণ করতো ‘খুলােনা খুলােনা ‘ এ খুলােনা শব্দ হতে খুলনার নাম হতে পারে । অনেক ব্যবসায়ী ও সওদাগরের মধ্যে নড়াইলের বড় লবণ ব্যবসায়ী ছিলেন রূপচাঁদ সাহা । তার নৌকা প্রায়াই কাজীবাছা এবং ময়ুর নদীতে ডকাতি হতাে এবং দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে অনেক সময় লাগতাে বলে তিনি নিজ খরচে রূপসা ব্রিজ হতে নয়াবাদ ( ডিসির বাংলাে ) পর্যন্ত খাল খনন করেন । অল্পদিনের মধ্যে জোয়ার – ভাটার স্রোতে ক্ষুদ্র খাল খরস্রোতা নদীতে রূপ লাভ করে , যার । নামকরণ হয় রূপসা নদী । যে নাম অনুসারে উপজেলার এক খণ্ডের নাম কিসমত খুলনা ।
১৮৪২ সালে যেখানে জন্ম হয়েছিল আজকের তিলােত্তমা খুলনা মহকুমা । কালক্রমে এখানে আসেন খুলনার ইতিহাসের ত্রাস ইংরেজ সৈনিক উইলিয়াম রেনি ৷ তিনি । তালিমপুরের বারবারাকে বিবাহ করেন এবং যৌতুক হিসেবে তিনি হােগলা পরগনার চারআনা অংশের মালিক হন । গভার্মেন্ট এর নিকট হতে রূপসার চর ও লখপুরের জমিদারদের নিকট হতে আলাইপুরের তালুক পত্তনী নিয়ে নয়াবাদের নিকট রহিমনগরে বসবাস শুরু করেন । তিনি এখানে ১০ / ১২টি কুঠি স্থাপন করেন – জোর কোরে গরীব কৃষকদের দিয়ে নীল চাষ করাতেন । কৃষকদের লোকসান যেত বলে তারা এ কাজ করতে চাইতাে না । তাই তিনি কৃষকদের উপর অমানুষিক অত্যাচার করতেন । পথচারী ধরে তিনি জোর করে কাজ করাতেন । প্রবাদে আছে – – – – “ কপালের এমন ফের
যাচ্ছিলাম শশুরবাড়ি
কাটি রেনি সাহেবের খেড় । ”
তার অত্যাচারে আশপাশের গ্রামের লােকজন চলে যেতে লাগল । এ প্রতিবাদে শ্রীরামপুরের প্রাণপুরুষ শিবনাথ ঘোষেরনেতৃত্বে লখপুরেরৱেৱ চৌধুরী , নােয়াপাড়ার ঘােষ , তিলকের মিত্র , চন্দ্রগাতিত্র ভৈরব চন্দ্র , বিরাটের সালেক মােল্লার মত লোকেরা একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তােলেন । অনেকে শিবনাথের পাশ হতে সরে গেলেও শিবনাথ কখনো দমে যাননি । রেনি বাহীনির , সাথে এদেৱ বহুবার যুদ্ধ হয়েছে এবং রেনির পরাজয় হয়েছে । তাই এখনো শােনা যায়…. = =
“ চন্দ্র দত্ত রণে মত্ত , শিৰ সেনাপতি
গুলি গোল্লা সাদেক মােল্লা রেনিৱ দৰ্প করল চুর
বাজিল শিবনাথের ডঙ্কা ধন্য বাঙ্গালা বাঙালী বাহাদুর । ”
রেনির সাথে শিবনাথের যুদ্ধে বহু হতাহত হয়েছে । শিবনাথ , রেনি সাহেবের চিনি ও নীল বােঝাই ৩৬ খানা নৌকা কোলকাতায় যাওয়ার পথে শুভ জন্মদিন রূপসা
রূপসার বুকে খুলনার জন্ম ।
আজ থেকে বহু বছর আগে এ তিলােত্তমা মহানগরী খুলনার জন্ম হয়েছিল বর্তমান রূপসা উপজেলার কিসমত খুলনার বুকে নয়াবাদ থানায় । তারপরও আমি ওনাতে চাই তাদের , যাদের জানা নেই এ জন্মের ইতিহাস । শােন হে নগরবাসী স্বর্গের চেয়ে সুন্দর , জীবনের চেয়ে প্রিয় , মায়ের মত পবিত্র আমার স্থান রুপসী রূপসার বুকেই একদিন জন্ম হয়েছিল শহরের । আমার অবস্থা যাই হােক তুমি বড় হও – তেমনিভাবে জেলা হতে বিভাগে রুপ দিয়েছো- আরাে বড় হও একদিন বাংলার প্রদেশ হও , শত শত বছর ধরে আমি চেয়ে থাকবাে আর তোমার জন্মের গুণকীর্তন করতে থাকবাে ।

বঙ্গোপসাগর হতে শিবসা নদী প্রবল জোয়ারের শ্রোতে বর্তমান খারাবাদ বাইনতলার মধ্যে দিয়ে পশুর নাম ধারণ করে কাজীবাছা নদী দিয়ে মৈয়ুর নদীতে পড়ে খুলনা রেলস্টেশনের পাশে ভৈরবে মিলিত হয় । এ ভৈরবের একটি অংশ যশাের নড়াইলের দিকে প্রবাহিত আর একটি শাখা জেলখানা ঘাটের অপর পাড়ে সেনের বাজারের পাশ দিয়ে আঠারোবাকী নদী নাম ধাৱণ করে আলাইপুর দিয়ে বাগেরহাট চলে গেছে । উল্লেখ্য তখন রামনগর ( ডিবির বাংলাে ) হতে রুপসা ব্রিজের নিকট পর্যন্ত কোন নদী ছিল না । খুলনা শহর ও বর্তমান রূপসা নদীর পূর্বপাড়া , রামনগর , রহিমনগর চর রুপসা পর্যন্ত ছিল সুন্দরবনের অংশ ।
রুপসাা উপজেলার ভৈরব নদীর তটে সেনের বাজার অতি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল । লবণের ব্যবসা , চিনির ব্যবসা , নীলের ব্যবসা এবং সুন্দরবনের কাঠের জন্য বিদেশী বিশেষ করে ওলন্দাজ , ডাচ , ফরাসি , ফিরিঙ্গী , বর্গীরা এ স্থানকে খুব পছন্দ করত । ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার রাজা লক্ষণ সেন নিজে এনে এ সেনের বাজার স্থাপন করেন । এখানে ব্যবসা বাণিজ্যের সকল নৌকা ভীড়তাে ।
অনেকের মতে , সেনের বাজারের আঠারোবাকী নদীতে বহর দিয়ে বাণিজ্যের নৌকা বাধা থাকতো । কোন মাঝি রাতে নৌকা খুলতে গেলে বনের মধ্য হতে বনদেবতা বারণ করতো ‘খুলােনা খুলােনা ‘ এ খুলােনা শব্দ হতে খুলনার নাম হতে পারে । অনেক ব্যবসায়ী ও সওদাগরের মধ্যে নড়াইলের বড় লবণ ব্যবসায়ী ছিলেন রূপচাঁদ সাহা । তার নৌকা প্রায়াই কাজীবাছা এবং ময়ুর নদীতে ডকাতি হতাে এবং দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে অনেক সময় লাগতাে বলে তিনি নিজ খরচে রূপসা ব্রিজ হতে নয়াবাদ ( ডিসির বাংলাে ) পর্যন্ত খাল খনন করেন । অল্পদিনের মধ্যে জোয়ার – ভাটার স্রোতে ক্ষুদ্র খাল খরস্রোতা নদীতে রূপ লাভ করে , যার । নামকরণ হয় রূপসা নদী । যে নাম অনুসারে উপজেলার এক খণ্ডের নাম কিসমত খুলনা ।
১৮৪২ সালে যেখানে জন্ম হয়েছিল আজকের তিলােত্তমা খুলনা মহকুমা । কালক্রমে এখানে আসেন খুলনার ইতিহাসের ত্রাস ইংরেজ সৈনিক উইলিয়াম রেনি ৷ তিনি । তালিমপুরের বারবারাকে বিবাহ করেন এবং যৌতুক হিসেবে তিনি হােগলা পরগনার চারআনা অংশের মালিক হন । গভার্মেন্ট এর নিকট হতে রূপসার চর ও লখপুরের জমিদারদের নিকট হতে আলাইপুরের তালুক পত্তনী নিয়ে নয়াবাদের নিকট রহিমনগরে বসবাস শুরু করেন । তিনি এখানে ১০ / ১২টি কুঠি স্থাপন করেন – জোর কোরে গরীব কৃষকদের দিয়ে নীল চাষ করাতেন । কৃষকদের লোকসান যেত বলে তারা এ কাজ করতে চাইতাে না । তাই তিনি কৃষকদের উপর অমানুষিক অত্যাচার করতেন । পথচারী ধরে তিনি জোর করে কাজ করাতেন । প্রবাদে আছে – – – – “ কপালের এমন ফের
যাচ্ছিলাম শশুরবাড়ি
কাটি রেনি সাহেবের খেড় । ”

তার অত্যাচারে আশপাশের গ্রামের লােকজন চলে যেতে লাগল । এ প্রতিবাদে শ্রীরামপুরের প্রাণপুরুষ শিবনাথ ঘোষেরনেতৃত্বে লখপুরেরৱেৱ চৌধুরী , নােয়াপাড়ার ঘােষ , তিলকের মিত্র , চন্দ্রগাতিত্র ভৈরব চন্দ্র , বিরাটের সালেক মােল্লার মত লোকেরা একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তােলেন । অনেকে শিবনাথের পাশ হতে সরে গেলেও শিবনাথ কখনো দমে যাননি । রেনি বাহীনির , সাথে এদেৱ বহুবার যুদ্ধ হয়েছে এবং রেনির পরাজয় হয়েছে । তাই এখনো শােনা যায়…. = =
“ চন্দ্র দত্ত রণে মত্ত , শিৰ সেনাপতি
গুলি গোল্লা সাদেক মােল্লা রেনিৱ দৰ্প করল চুর
বাজিল শিবনাথের ডঙ্কা ধন্য বাঙ্গালা বাঙালী বাহাদুর । ”
রেনির সাথে শিবনাথের যুদ্ধে বহু হতাহত হয়েছে । শিবনাথ , রেনি সাহেবের চিনি ও নীল বােঝাই ৩৬ খানা নৌকা কোলকাতায় যাওয়ার পথে কাজিৰাছা নদীতে ডুবিয়ে দেন , রেনি শিবনাথের নামে ১৬টি ( মতান্তরে ৯৬ ) খুনের মামলা করেন । শিবনাথ রেনি , সকল নীলে গাছ উপড়ে ফেলেন , শিবনাথের নামে থানায় মামলা হলেও তিনি দমে যাননি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি রেনির অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন ।
শিবনাথ ও রেনির মধ্যে প্রায় যুদ্ধ লেগে থাকতো । এ অবস্থায় গভর্নমেন্ট ১৮৩৬ সালে গঠিত নয়াবাদ থানাকে শ্রীরামপুরে শিবনাথের বাড়ী এবং নয়াবাদের রহিমাগারের রেনির কুঠিরের মধ্যখানে নিকলাপুর রাইস মিলের পাশে সুৱননাগের বাগানের পূর্ব দিকে কিসমত খুলনা নামক স্থানে ১৮৪২ সালে বাংলার প্রথম মহকুমা ঘােষণা করেন । যার নাম দেওয়া হয় খুলনা মহকুমা । মিঃ ওয়েস্ট ল্যান্ডের মতে – উদ্ধতপূর্ণ জমিদার মি . রেনিকে রুখবার জন্যই খুলনা মহকুমা স্থাপন করা হয় ।
পরবর্তীতে কাজের সুবিধার্থে রেনি সাহেবের পরামর্শে এবং শিবনাথের ভয়ে গভর্নমেন্ট খুলনা মহকুমার সদর দপ্তর ছােট খালের ( বর্তমান রূপসা নদীর ) পশ্চিম পাড়ে কালা ঘাটে স্থানান্তরিত করেন । এরপর ১৮৪৫ খ্রস্টাব্দে বর্তমান জেলা প্রশাসকের যে বাড়ী যেখানে মহকুমা সদর দপ্তর পাকা দালানে স্থাপন করেন ।
১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে যশাের হতে আলাদা হয়ে খুলনা জেলার জন্ম । যা আজ জেলা ও সিটি কর্পোরেশন খুলনা । বিচিত্র রুপ নিয়ে রূপসা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে তিলােত্তমা খুলনা মহানগর ।
দুঃখের বিষয় ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে বীর শিবনাথ ঘােষ মারা যান । তার মৃত্যুতে রেনিও খুব দুঃখ পেয়েছিলেন । তিনি নিজেই তার শশ্মশানে উপস্থিত ছিলেন এবং এক টিন ঘি ও সমস্ত চন্দন কাঠ দিয়ে তার শেষ কার্য সমাধা করেন এবং প্রতিজ্ঞা করেন আর কোন প্রজার উপর অত্যাচার করবেন না । ভয়ংকর রেনির কবর রহিমনগর কলােনী মসজিদের পাশে আজও অবিকল রয়েছে কিন্তু আমরা শিবনাথের কোন স্মৃতি চিহ্ন ধরে রাখতে।
কাজিৰাছা নদীতে ডুবিয়ে দেন , রেনি শিবনাথের নামে ১৬টি ( মতান্তরে ৯৬ ) খুনের মামলা করেন । শিবনাথ রেনি , সকল নীলে গাছ উপড়ে ফেলেন , শিবনাথের নামে থানায় মামলা হলেও তিনি দমে যাননি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি রেনির অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন ।

শিবনাথ ও রেনির মধ্যে প্রায় যুদ্ধ লেগে থাকতো । এ অবস্থায় গভর্নমেন্ট ১৮৩৬ সালে গঠিত নয়াবাদ থানাকে শ্রীরামপুরে শিবনাথের বাড়ী এবং নয়াবাদের রহিমাগারের রেনির কুঠিরের মধ্যখানে নিকলাপুর রাইস মিলের পাশে সুৱননাগের বাগানের পূর্ব দিকে কিসমত খুলনা নামক স্থানে ১৮৪২ সালে বাংলার প্রথম মহকুমা ঘােষণা করেন । যার নাম দেওয়া হয় খুলনা মহকুমা । মিঃ ওয়েস্ট ল্যান্ডের মতে – উদ্ধতপূর্ণ জমিদার মি . রেনিকে রুখবার জন্যই খুলনা মহকুমা স্থাপন করা হয় ।
পরবর্তীতে কাজের সুবিধার্থে রেনি সাহেবের পরামর্শে এবং শিবনাথের ভয়ে গভর্নমেন্ট খুলনা মহকুমার সদর দপ্তর ছােট খালের ( বর্তমান রূপসা নদীর ) পশ্চিম পাড়ে কালা ঘাটে স্থানান্তরিত করেন । এরপর ১৮৪৫ খ্রস্টাব্দে বর্তমান জেলা প্রশাসকের যে বাড়ী যেখানে মহকুমা সদর দপ্তর পাকা দালানে স্থাপন করেন ।
১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে যশাের হতে আলাদা হয়ে খুলনা জেলার জন্ম । যা আজ জেলা ও সিটি কর্পোরেশন খুলনা । বিচিত্র রুপ নিয়ে রূপসা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে তিলােত্তমা খুলনা মহানগর ।
দুঃখের বিষয় ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে বীর শিবনাথ ঘােষ মারা যান । তার মৃত্যুতে রেনিও খুব দুঃখ পেয়েছিলেন । তিনি নিজেই তার শশ্মশানে উপস্থিত ছিলেন এবং এক টিন ঘি ও সমস্ত চন্দন কাঠ দিয়ে তার শেষ কার্য সমাধা করেন এবং প্রতিজ্ঞা করেন আর কোন প্রজার উপর অত্যাচার করবেন না । ভয়ংকর রেনির কবর রহিমনগর কলােনী মসজিদের পাশে আজও অবিকল রয়েছে কিন্তু আমরা শিবনাথের কোন স্মৃতি চিহ্ন ধরে রাখতে।

     More News Of This Category

ফেসবুক