কিছু হলেই ছাত্রলীগকে দোষারোপ করার মানাসিকতা পরিহার করতে হবে- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ

Spread the love

ইবাংলা প্রতিনিধাঃ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ছাত্রলীগের অবদানের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, কিছু হলেই ছাত্রলীগকে দোষারোপ করার মানাসিকতা পরিহার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘যারা চুন থেকে পানি খসলেই কিংবা কিছু হলেই সেটার সাথে ছাত্রলীগে কোনোভাবে একসময় নাম লিখিয়েছিল কিংবা লেখায় নাই, সেই গন্ধ খুঁজে ছাত্রলীগের গায়ে কালিমা লেপন করার অপচেষ্টা করে, তাদের সেই মানসিকতা পরিহারের অনুরোধ জানাই।’ মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব) সঙ্গে বৈঠক করেন। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্রলীগ গঠিত হয়েছিলো, আওয়ামী লীগ গঠিত হওয়ার এক বছর আগে।

মঙ্গলবার সারা দেশে বর্ণাঢ্য পরিসরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে ছাত্রলীগ। এ দিনটি নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ছাত্রলীগের অবদান জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পরও বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ছাত্রলীগ দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছে।’ ছাত্রলীগের কাছে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় দেশকে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। ছাত্রলীগের মধ্যে যেন কোনো অনুপ্রবেশকারী ঢুকে বদনাম করতে না পারে। ’ এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। দুপুর ২টার দিকে অপরাজেয় বাংলায় বানানো মঞ্চের ডান পাশে দাঁড়ানো নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীম উদদীন হল ও ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার জেরে এই মারামারি হয়।

মারামারির এক পর্যায়ে ইটের আঘাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের মাথা ফেটে গেছে। তাকে চিকিৎসার জন্য আগারগাঁও নিউরোসায়েন্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া মারামারিতে আরও ১০-১২ আহত হয়েছেন। গত সপ্তাহে সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতির ঘটনায় বিএনপির সমালোচনায় হাছান মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন সমাবেশে হাজার হাজার নয়, কয়েকশ মানুষ দেখেই বিএনপি ‘খেই হারিয়ে ফেলেছে।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে মির্জা ফখরুল সাহেবরা তো বছরের পর বছর দলীয় কার্যালয় নয়াপল্টনের সামনে কয়েকশ মানুষ দেখতেই অভ্যস্ত ছিলেন।

     More News Of This Category

ফেসবুক