মৃত ও অসুস্থ পরিবারের পাশে থাকেন বটিয়াঘাটার চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল।

Spread the love

মোঃ রিয়াজউদ্দীন, খুলনা:খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার আওয়ামীলীগ সদস্য,০৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পরিষদের বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল। মৃত ও অসুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং প্রমাণ করেছেন “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”।কয়েকটি গণমাধ্যম ( ফেসবুকে) দেখা গেছে, গভীর রাতে অত্র ইউনিয়নের যকোন অসুস্থ ও মৃত ব্যক্তির পাশে বসে আছেন, অংশ নিচ্ছেন জানাজায়, দাফন-কাফন এমনকি সৎকারে , রাতের অন্ধকারে সরজমিনে গিয়ে অবহেলিত মানুষের কম্বল বিতরণ করছেন নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল। তাছাড়া সরকারি অনুদান নিতে হতদরিদ্র ও বাচ্চাদের হাতে পানি ও খাবার তুলে দিচ্ছেন।এই মহৎ উদ্যোগ মানবতা বাংলাদেশের কোন কোন ইউনিয়নে নেই এমনটি মন্তব্য করেছেন ভান্ডারকোট ইউনিয়ন বাসী।আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ,স্কুল শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সামনে গতকাল তার ইউপি নালিশ কার্যালয়ে বলেন, আমি নির্বাচনের আগে বলেছিলাম ”চেয়ারম্যান হিসেবে না সেবক হিসেবে পাশে থাকবো” আপনারা আমাকে বিশ্বাস করে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছেন আমি আপনাদের ছেলে হিসেবে এখনো বলছি “যে কথা দিয়েছিলাম সে কথা আমি আমার শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও রাখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ” আমি অনেক পরিশ্রম করে দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে এই রাজনীতিতে এসে অনেক মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হয়েছি এখনো বিরোধীদল জামায়াত-বিএনপির হোতারা মিথ্যা ভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে অবিরাম।যে ভালবাসা আপনারা দিয়েছেন আপনাদের এই ভালবাসা কখনো ভোলার নয়।

কোন কিছুর বিনিময়ে এই অর্জিত ভালবাসা নষ্ট বৃথা হতে দেব না।তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমি আমার এলাকায় উন্নয়ন করতে চাই আপনাদের সাথে নিয়ে। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে যেখানে যে উন্নয়ন করতে গেছি সেখানে বিএনপি-জামায়াত জোট সেটা করতে দেয়নি, বাধাগ্রস্ত হয়েছি বরং আলাদা ভাবে জনগণকে ভুল বুঝিয়েছে। এখন থেকে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিব কোন ষড়যন্ত্র আর সফল হবে দেব না।এখন সেটা প্রমাণ করার সময় এসেছে আপনাদের আক্লান্ত পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তির সমন্বয়ে গণমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য আমাকে আপনারা নিযুক্ত করেছেন। আমি আমার এলাকায় নতুন রাস্তা,সংষ্কার করা কালভার্ট তৈরী করা,অন্ধকার দূরকরণে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার ইষ্টিক লাইট স্থাপনকরা,মসজিদের উন্নয়ন করা, মন্দির ও শ্মশাণের উন্নয়ন করা,নিরাপদ পানি,স্বাস্থ‍্যসম্মত ল‍্যাট্রিন,শিক্ষার প্রসার ঘটিতে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ক্রয় ও পড়ার খরচসহ খেলাধুলার উপকরণ বিতরন করে যুব সমাজের মাঝে খেলা-ধুলার প্রসার ঘটিয়ে মাদক মুক্ত যৌতুক মুক্ত ও বাল‍্যবিবাহ দূরকরণসহ সকল ক্ষেত্রে কঠোর ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছি। আর এ সকল কাজে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ধনী-গরীব প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল।যদি শুনতে পান কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন তখন চেয়ারম্যান ওবায়দুল হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ অথবা খ্রীষ্টান কোন ধর্মের মানুষ এটা দেখেন না সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিবারের পাশে দাড়ান , সান্তনা দেন এবং সদস্যদের যতটুকু সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি ইতোমধ্যে সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও সমাজ সেবক হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। একজন জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বশ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল সকল গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতাসহ সকল সামাজিক সুরক্ষাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করতে শুরু করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে চলেছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অধিক গুণে গুনান্বিত।এলাকায় কয়েকটি শালিশ পর্যাবেক্ষন করে দেখা গেছে তিনি অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান খুব কম সময়ে করে ফেলছেন।বাদি বিবাদীর সকল শত্রুতার মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে মিষ্টি মুখ করিয়ে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,এই ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ আমার কাছে আমার পরিবারের অংশ। এজন্য জনগণের উন্নয়ন করা আমার নেশা ও পেশা দুটোকে বলতে পারেন। কোন মানুষ যখন অসুস্থ থাকেন তখন আমি আমার সকল কাজ বাদ দিয়ে সেখানে অবস্থান করি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু করার চেষ্টা করি,আর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি বাসায় ফিরি না। বিচারকার্য পরিচালনা সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন,আমি যখন কোন শালিশী অবস্হান করি তখন কে আপন কে পর আমি ভুলে যাই।আমি এই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ করে কাউকে থানা পুলিশ অথবা আদালতে পাঠাতে রাজি নই ।আমার এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি বর্গরাই ভালো বলতে পারবেন এই বিষয়ে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় কেমন উন্নয়ন করছি।আমার দায়িত্ব কালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চিন্তা চেতনার উদ্দেশ্যেকে কাজে লাগিয়ে আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা,সততা দিয়ে একটি আধুনিক ও বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন উপহার দিবো এটাই আশাবাদী। এলাকার উন্নয়নের গতি সঞ্চার করতে যা যা করা দরকার তা আন্তরিক ভাবে করে যাবো ইনশাল্লাহ এ ক্ষেত্রে সকলকে কাধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে আর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে জীবন যাপনের জন্য আমাকে সাহায্য করতে হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পদত্ত সেবা যাতে ইউনিয়নের সকল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারি এজন্য দোয়া চেয়েছেন। অদূর ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে মৃত্যুর আগ মুহুর্ত শাসক নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই একথা ব্যক্ত করেন।

     More News Of This Category

ফেসবুক