সৎও ধর্ম ভীরু হিসেবে অন‍্যন্যা দৃষ্টান্ত চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল।

Spread the love

ইবাংলা নিজস্ব প্রতিবেদক: এই সুন্দর পৃথিবীতে মানুষ ক্ষণস্থায়ী মানুষ তার কাজ দিয়ে এই স্বল্প সময়ের পৃথিবীতে অবিনশ্বর হয়ে থাকে। আর তাইতো বলা হয় কৃর্তিমানের মৃত্যু নেই। এ সকল মহান কাজ করে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অবদান রাখতে হলে দরকার ব‍্যক্তির সুন্দর মানসিকতা, নীতি-নৈতিকতা, সাহস ও ক্ষেত্র। প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথ অনেক পিচ্ছিল হয়। পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজসেবী রাজনৈতিক ও জনদরদী চেয়ারম্যানর নিয়ে কথা না বললেই নয়।যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে একজন সফল ব্যক্তি (নির্বাচিত চেয়ারম্যান) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার ০৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মরহুম জননেতা শেখ রফিকুল ইসলামের পুত্র বর্তমান বটিয়াঘাটা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ০৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মোঃ ওবাইদুল্লাহ শেখ ওবায়দুল । সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে।

তিনি, তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য খুলনা-০১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা)সংসদ সদস্য শ্রী পঞ্চানন বিশ্বাস, জেলা, উপজেলার তথা আওয়ামী সকল অঙ্গসংগঠনের উন্নয়নে সাথী হয়ে ০৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়নকে কাংক্ষিত উন্নয়নে রূপদান করছেন। এ কাজে সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং আরও সহযোগিতার পাওয়ার আশাও ব্যক্ত করে করছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ বটিয়াঘাটা উপজেলার সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতীক এ ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সকল গল্প স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।এলাকাসূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল নির্বাচনের আগে থেকেই সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।তার সাথে দেখা হলে ছালাম বিনিময়ের মাধ্যমে কথা বলতেন।

নির্বাচনের পর তার কোন কিছুই পরিবর্তন করেননি বরং শ্রদ্ধার সাথে সকলকে স্মরণ করেন।যেখানে নির্বাচিত হওয়ার পর অনেকেই চেহারা পাল্টে দেন,বলে জানান এলাকাবাসী। সকল ধর্মের মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে চলেছেন। এলাকাবাসী সততা ও ধর্মীয় বিষয়ে বলেন, চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ ওবায়দুল নিজের ধর্ম মুসলমানদের জন্য তিনি যেমন প্রতিটি মৃত ব্যক্তির জানাযায়,আকিকা, জন্মদিন উদযাপন, বৌভাত, বিবাহ অনুষ্ঠান, দোয়া অনুষ্ঠান,বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল,তাফসীরুল কুরআন মাহফিল,মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার ভিত্তি প্রস্তুত ও স্থাপন সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত খোঁজ খবর নেন তেমনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর রয়েছে অন্যরকম দৃষ্টি।তিনি প্রতিটি হিন্দু ধর্মের মানুষের বাড়িতে গিয়ে তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তাদের সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাশে দাঁড়াচ্ছেন।শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান,রাধা গোবিন্দ মন্দির, স্বরসতী পূজা,হরিনাম, কালীপূজা, সার্বজনীন দূর্গা পূজা,সকল মন্দির স্থাপন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি বাৎসরিক পূজা উদযাপন,মৃত ব্যক্তির সৎকার অনুষ্ঠানে অনুদান প্রদান সকল ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছেন।আমরা গর্বিত এমন একজন আদর্শবান,সৎ ও ধর্মভীরু চেয়ারম্যান হিসেবে পাশে পেয়ে। যেখানে শতভাগ সাফল্যে সাথে উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করতে দেখতে পাচ্ছি।প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সরকারি খাদ্য সহায়তা আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে এমন ঘটনা আমরা এর আগে দেখতে পাইনি। সর্বোপরি আমাদের আশা ও চাওয়া পাওয়া আজ সার্থক। ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব এটার আমার কাছে বড় পরিচয়।কে ছোট,কে বড়,কে কোন

সম্প্রদায়ের এটা দেখা উচিৎ নয়। আমি যখন বিচারকের চেয়ারে বসি তখন সকল ধর্মকে ভুলে যাই।আমরা এই সমাজের একে অপরের পরিপূরক হিসেবে পথ চলি।আর এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে চিরদিন থাকবো না যতটুকু পারি সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে চাই।অনেক সময় দেখা যায়,ধর্ম নিয়ে রাজনীতি হয়,সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষের উপর অত্যাচার করে, বিচার পায়না অনেকেই।আমার এই গ্রাম্য আদালতে ধর্ম বিরোধীতার কোন সুযোগ নেই। এখানে প্রতিটি পরিবারের পাশে আমি থাকতে চাই। সকল ধর্মের মানুষ একসাথে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে জীবন যাপন করবে এটাই আমার কাম্য।আর যদি কোথাও কোন এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা দেখি আমি নিজেই তা প্রতিহত করতে বদ্ধপরিক।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করতে তিনি সর্বসাধারণের কাছে সাহায্য চান এবং জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষের সেবা করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে সকলকে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

     More News Of This Category

ফেসবুক