খুলনায় আগামী বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস মালিক সমিতি ধর্মঘটের ডাক ।

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনায় বুধবার থেকে যাত্রী পরিবহন বন্ধের এই ঘোষণা এসেছে।সমিতি বলছে, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও খুলনাঞ্চলের মহাসড়ক গুলোতে চলাচল করছে তিন চাকার যানবহন। এতে একদিকে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা, অন্যদিকে যাত্রী কমেছে বাসে। ফলে বিপাকে পড়েছেন তারা। খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সোনা বলেন, ‘আমরা বার বার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছে আবেদন জানিয়েছি, মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রাসহ সকল অবৈধ যানবহন চলাচল বন্ধ করতে। তবে তারা শুধু আশ্বাস দিয়েছেন। বাস্তবে কিছুই করতে পারেননি।ফলে মহাসড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। দোষ না থাকা সত্ত্বেও মামলার আসামি হচ্ছে বাসের চালক শ্রমিকরা। যার কারণে আমরা মহাসড়কে অবিলম্বে এসব যানবহন বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ আমরা প্রশাসনকে ৩০ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছি। এর মধ্যে যদি তারা মহাসড়কের সকল অবৈধ যানবহন বন্ধ করেতে না পারে, তাহলে পরেদিন থেকে খুলনায় অনিদৃষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে।
ধর্মঘটের পক্ষে সোমবার ও মঙ্গলবার খুলনার সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ডে মাইকিং করার কথাও জানান বাস মালিকদের এই নেতা। বলেন, ‘সব যাত্রীদের জানিয়ে দেয়া হবে বুধবার থেকে ধর্মঘট শুরু হচ্ছে।’ আনোয়ার হোসেন জানান, বুধবার সকাল থেকে খুলনার সোনাডাঙ্গা ও রূপসা বাস স্টান্ড থেকে কোনো বাস ছাড়বে না।ধর্মঘট নিশ্চিত করতে তারা জেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করবেন। খুলনা থেকে যেমন কোনো বাস বাইরে যেতে দেয়া হবে না, তেমনি জেলায় কোনো বাস ঢুকতেও দেয়া হবে না।

বিআরটিসির বাস চলাচল নিয়েও আপত্তির কথা জানান মালিক সমিতির এই নেতা। বলেন, ‘তারা কখন কোন রুটে কতটি বাস চালাচ্ছে, তা আমাদের জানানো হয় না। অনেক সময় তাদের বাসে নির্দিষ্ট রুটের বাইরেও চলাচল করে।
এতে আমাদের রুটের বাসের সমস্যা হয়। এই সমস্যা সমধানে দাবিটিও আমাদের ধর্মঘটে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’
খুলনা বাস স্ট্যান্ডগুলো থেকে বিভিন্ন জেলা মোট ১৮টি রুটে ১ হাজার ২০০ টির মত বাস চলাচল করে।

     More News Of This Category

ফেসবুক